শুক্রবার, ২৫ অক্টোবর, ২০১৩

নারিকেলী গোস

রেসিপিঃ নারিকেলী গোস

 

 

উপকরন ও পরিমানঃ
- গরুর গোস্তঃ ২ কেজি (আমরা দুই কেজি রান্না করেছিলাম বলে দুই কেজির পরিমান দিয়ে দিলাম, আপনি কম বা বেশী রান্না করলে সেই মত পরিমান ঠিক করে নেবেন)
- আদা বাটাঃ ৩ টেবিল চামচ
- রসুন বাটাঃ ৩ টেবিল চামচ
- জিরা গুড়াঃ ২ চা চামচ
- হলুদ গুড়াঃ ১ টেবিল চামচ
- গোল মরিচ গুড়াঃ ১ চা চামচ
- জয়ত্রি বাটাঃ ১ চা চামচ
- গরম মশলাঃ দারুচিনি ৪/৫ পিস, এলাচি ৭/৮ টা, তেজপাতা ৩/৪ টা
- কাঁচা মরিচঃ ৫/৬ টা
- নারিকেল দুধঃ ঘন দুইকাপ
- টক দইঃ ১/৪ কাপ
- লবনঃ পরিমান মত
- চিনিঃ ১ চা চামচ
- পানিঃ পরিমান মত
- তেলঃ পরিমান মত (হাফ কাপের কম, তেল বেশী না দেয়াই ভাল)
- বেরেস্তাঃ হাফ কাপ (শেষে ব্যবহারের জন্য)
প্রনালীঃ 

নারিকেলী গোসত রান্না করতে আমি মনে করি গরুর ক্যারোলীর মাংসই কেনা দরকার। আপনি আপনার পছন্দ মত টুকরা করে কেটে ভাল করে ধুয়ে নিন এবং একটা রান্নার হাড়িতে প্রথমে তেল নিন, যে হাড়িতে রান্না করবেন। তার পর গোসত নিয়ে নিন।

প্রথমে টক দই দিন।

তার পর একে একে উপরে উল্লেখিত সব মশলাপাতি দিয়ে দিন এবং এর পর দিন নারিকেলের দুধ। পরিমান মত লবন দিতে ভুলবেন না, এই পর্যায়ে সব সময়েই কম লবন দেয়া উচিত। কারনে রান্নার শেষে আমরা যখন শেষ স্বাদ দেখি তখন লবনের পরিমান দেখা যায়। কাজেই প্রথমেই লবন ঠিক হবে ভেবে লবন দেয়া উচিত নয়। মনে রাখবেন লবন বেশী হলে স্বাদ শেষ হয়ে যায়!

এবার ভাল করে মিশিয়ে নিন এবং মাধ্যম আঁচে চুলায় বসিয়ে দিন।

ঢাকনা দিতে ভুলবেন না। মাঝে মাঝে ঢাকনা উলটে নাড়িয়ে দিতে হবে।

ঝোল কমে এই পর্যায়ে আসতে মিনিট ৩০ লাগতে পারে। এবার গোসত নরম হল কি না দেখুন, মশলা মাংসে মিশেছে কি না তা দেখুন। না হলে আরো পানি দিন।

আমাদের গোসত নরম এবং আমার মনের মত হয় নাই বলে আমি আবারো পানি দিয়েছি এবং আরো মিনিট ২০ ফুটিয়েছি। কিছুটা ঝোল রাখবো বলে আমি পানি একটু বেশী দিয়েছিলাম।

এবার গোসত আমার মনের মত হয়েছে বলে আঁচ কমিয়ে দিলাম। ফাইন্যাল লবন চেক করলাম। এবার বেরেস্তা ছিটিয়ে দিলাম।

ভাল করে মিশিয়ে আরো কিছু ক্ষন জ্বালে রাখলাম। আরো কিছু ঝোল কমিয়ে নিলাম।

ব্যস, পরিবেশনের জন্য প্রস্তুত।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন