রেসিপিঃ কচি মূলা ও শুঁটকী
প্রয়োজনীয় উপকরনঃ
- কচি মূলা (ডাটা টাইপ, এক আঁটি, কেটে কুটে যা হয়)
- আলু একটা (মূলার মত করে কাটতে হবে)
- দুইটা চ্যাপা শুঁটকী (পরিমান বুঝে নিতে হবে, বেশী হলে বেশী শুঁটকীর ঘ্রান হবে, তখন খেতে ভাল নাও লাগতে পারে)
- মাঝারি দুটো পেঁয়াজ কুঁচি
- কয়েকটা কাঁচা মরিচ
- এক চা চামচ রসুন বাটা
- হাফ চা চামচ আদা বাটা
- হাফ চা চামচ হলুদ গুড়া
- হাফ চা চামচ মরিচ গুড়া, ঝাল বুঝে
- লবন (পরিমান মত)
- তেল (পরিমান মত, কম তেলেই রান্না উত্তম)
- পানি (পরিমান মত)
প্রনালীঃ
শাক ভাজি বা রান্না করে মূলার এই ডাটা গুলো আলাদা করে নিন এবং লম্বা করে কাটুন (অনেকটা নিন্মের ছবির মত)
সাথে আলুও একই ভাবে কেটে ধুয়ে নিন এবং একটা পাত্রে গা গা পানি দিয়ে, সামান্য লবন যোগে মাঝারি সিদ্ব করে নিন। পানি ফেলে নিন, এতে মূলার ঘ্রান কিছুটা কমে যাবে এবং রান্নায় সময় বাঁচবে।
এবার মুল রান্নায় আসুন। কড়াইতে তেল গরম করে তাতে প্রথমে সামান্য লবন যোগে পেঁয়াজ কুঁচি ভেঁজে একে একে আদা, রসুন দিয়ে দিন এবং ভাঁজুন। এর পরেই চ্যাপা শুঁটকী দিয়ে দিন। ভাজতেই চ্যাপা শুঁটকী মিশে যাবে।
এবার সামান্য পানি দিন।
এবার মরিচ গুড়া, হলুদ গুড়া এবং কয়েকটা কাঁচা মরিচ দিন এবং ভাল করে কষিয়ে ঝোল বানিয়ে ফেলুন। (প্রয়োজনে আরো সামান্য পানি দিতে পারেন)
এবার হাফ সিদ্ব মূলা আলু দিয়ে দিন।
ভাল করে সামান্য সময়ে মিশিয়ে নিন।
এবার হাফ কাপ পানি দিন।
ব্যস ঢাকনা দিয়ে রাখুন মিনিট ১৫ এর জন্য। এই সময়ে আগুনের আঁচ মাধ্যম থাকবে।
ফাইন্যাল লবন দেখুন। লাগলে দিন, না লাগলে ওকে! ঝোল কেমন রাখবেন এটা আপনি নিজে নির্ধারন করুন। আমি গা গা ঝোল রেখেছিলাম। (ঝোল দ্রুত কমাতে চাইলে ঢাকনা তুলে আগুন বাড়িয়ে দিতে পারেন)
ব্যস পরিবেশনের জন্য প্রস্তুত।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন